লোডশেডিংএ অতিষ্ঠ দেওয়ানগঞ্জবাসী
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিংএ অতিষ্ঠ উপজেলাবাসী ।নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকেনা এবং দিনে প্রায় অসংখ্যবার বিদ্যুৎ যায় আসে কোন কোন রাতে বিদ্যুৎ থাকেনা বলেই চলে । প্রচন্ড গরমে শিশুরা সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয়ে করুনার ঝুঁকিতে পরছে । কোন দিন সারাদিন বিদ্যুৎ থাকেনা কিছু সময় থাকলেও রাতে লোডশেডিং বেড়ে যায় । এ নিয়ে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে সর্বসাধারণের ভেতর । অনেকেই অভিযোগ করেছেন দেওয়ানগঞ্জে বিদ্যুতের সমস্যা আজকের নতুন নয় বিগত কয়েক বছর থেকেই এই অবস্থা চললেও এবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে । দিনে কতবার যে বিদ্যুৎ আসে আর কতবার যায় তার কোন হিসাব নেই এই সমস্যা নিয়ে আগে থেকে সমাধান করা হলে আজ এই অবস্থা হত না । দেওয়ানগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রকিব কালের কন্ঠকে জানিয়েছেন দেওয়ানগঞ্জে বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারনে ব্যাবসা বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । এই অবস্থা চলতে পারেনা আমি এমপি মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং সাংবাদিকদের সুদৃষ্টি কামনা করছি । সোনালী ব্যাংক দেওয়ানগঞ্জ বাজার শাখার ব্যাবস্থাপক মোঃ রাসেল মাহমুদ বলেন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাংকিং কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং অফিসের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হচ্ছে জেনারেটর দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে । এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পরিকল্পণা মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উনার ব্যাক্তিগত কর্মকর্তাকে অবহিত করতে বলেন তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন । পল্লী বিদ্যুৎ দেওয়ানগঞ্জ সাব জোনাল শাখার এজিএম রাহেবুর রহমান জানিয়েছেন জেনারেশন কম থাকায় বিদ্যুতের ভোল্টেজ খুব কম থাকে তাই একটি লাইন বন্ধ রেখে অন্য লাইন সঞ্চালন চালু রাখা হয় আর সে কারণেই এই অবস্থা । তাছাড়া ঝড় বৃষ্টির কারণে লাইন মেরামত করতে গিয়ে অনেক জায়গায় লাইন বন্ধ রাখতে হয় লোডশেডিং এর এটাও একটা কারণ । ২০২৮ সালে তারাটিয়ায় একটি ন্যাশনাল গ্রীড হবে তখন আর সমস্যা থাকবেনা ।

