এডুকেশন টুডে

  • Full Screen
  • Wide Screen
  • Narrow Screen
  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size

News

আত্মপ্রকাশ করল এডুকেশন টুডে

ইমেইল প্রিন্ট

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ প্রকাশিত হলো শিক্ষা এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক পত্রিকা এডুকেশন টুডের উদ্বোধনী সংখ্যা। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সুফিয়া কামাল গণগ্রন্থাগার (পাবলিক লাইব্রেরি)-এর সেমিনার হলে অত্যনত্ম প্রাণবনত্ম এবং আনন্দঘন পরিবেশে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য জনাব আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, দেশ বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদ, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নূহ-উল-আলম লেনিন, কানাডার সি ডাবলু ইনস্টিটিউট এর আনত্মর্জাতিক বিভাগের প্রধান কায়সারম্নল হক, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর পিআরও সুবোধ চন্দ্র ঢালী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা শিড়্গকবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং এডুকেশন টুডে’র সম্পাদক এম শরীফ উল আলমসহ এডুকেশন টুডে পরিবার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।


১৯৬২ সালের এই দিনে শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাতিলের দাবিতে তৎকালীন পাকিসত্মানের সংগ্রামী ছাত্রসমাজ হরতাল আহ্বান করে। সেদিন পুলিশের গুলিতে শহিদ হন বাবুল, গোলাম মোসত্মফা এবং ওয়াজিউলস্নাহ। সে দিনকে স্মরণ করেই প্রতিবছর শিক্ষা দিবস হিসেবে ১৭ সেপ্টেম্বর পালিত হয়ে আসছে। এডুকেশন টুডে সে ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণ করেই আত্মপ্রকাশ করল।
উদ্বোধনী আনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনাব কায়সারম্নল হক। তিনি বলেন, শিক্ষা এবং ক্যারিয়ার সম্পূরক কিন্তু আমাদের অভিভাবকদের ভুলে অনেক ড়্গেত্রে তা পরিপন্থী হয়ে যায়। আমাদের দেশের সকল অভিভাবক তাদের সনত্মানদের ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দেখতে চান। কিন্তু তারা ভাবেন না তার সনত্মানের পড়্গে সেটা হওয়া কতটা সম্ভব। শিক্ষার্থীর হয়তো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ইচ্ছাই নেই। ফলে গোড়াতেই একটা গলদ হয়ে যায়। তাই আমাদের অভিভাবকদের উচিত তাদের সনত্মানদের মতামতের গুরম্নত্ব দেওয়া। অবস্থার প্রেড়্গিত এবং সনত্মানদের যোগ্যতা এবং নিজেদের অবস্থা বিবেচনা করে সনত্মানদের ক্যারিয়ার নির্বাচন করা। ক্যারিয়ার হওয়া উচিত শিক্ষার্থীর ইচ্ছায়। তা না হলেই হয় বিপত্তি। এ বিষয়টি  বিশেষত শিক্ষার্থী, শিড়্গক এবং অভিভাবকদের লড়্গ করা দরকার।
বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব আতাউস সামাদ শিক্ষা ড়্গেত্রে সংবাদপত্রের ভূমিকার কথা উলেস্নখ করে বিখ্যাত টাইমস পত্রিকার শিক্ষা ড়্গেত্রে অবদানের কথা বলেন। তিনি শিক্ষা এবং ক্যারিয়ার বিষয়ে গুরম্নত্ব আরোপ করে পেশাগত শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপদানের ড়্গেত্রে এডুকেশন টুডে উলেস্নখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক জনাব নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস এক সমৃদ্ধ ইতিহাস। ১৯৬২-র ছাত্র আন্দোলন এবং তার পূর্বে ’৫২-তে ছাত্রদের ভূমিকা ’৬২ পরবর্তী অন্যান্য আন্দোলন এবং ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানসহ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্রদের ভূমিকা বিশাল ক্যানভাসে ভাস্কর। তিনি আরও বলেন, এডুকেশন টুডে যেন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করতে পারে সে প্রত্যাশা আমাদের সকলের।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবসে এডুকেশন টুডে’র আত্মপ্রকাশ- এটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। তিনি বলেন, শিক্ষা সবার অধিকার। ১৬ কোটি মানুষের সেক্টর এ শিক্ষা। সকলে হয়তো উচ্চ শিক্ষায়  যাবে না কিন্তু সকল শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার  নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। এটা শিশুদের সাংবিধানিক অধিকার। একজন শিড়্গিত মানুষ নিজে আলোকিত হন অন্যকে আলোকিত করেন। ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাড়্গরতা দিবস, ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস। শিক্ষার সঙ্গে সাড়্গরতার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এই নিরিখে ১৭ সেপ্টেম্বর এডুকেশন টুডে’র জন্ম। এডুকেশন টুডে সম্পাদকসহ এডুকেশন টুডে পরিবারকে ধন্যবাদ। তারা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে সে আশা আমাদের সকলের।
এডুকেশন টুডে সম্পাদক এম শরীফ উল আলম সকলকে ধন্যবাদ এবং সকলের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Share/Save/Bookmark

এডুকেশন টুডে’র বর্ষপূর্তি ও আমাদের ভাবনা

ইমেইল প্রিন্ট

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ‘এডুকেশন টুডে’তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করল। ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস। ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন শরীফ শিক্ষা কমিশন বাতিলের দাবিতে ছাত্ররা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। হতাহত হন অনেকে। সেই দিনকে স্মরণে রেখেই ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। ’৬২’র ঐতিহাসিক শিক্ষা আন্দোলনকে স্মরণে রেখেই ২০১১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর এডুকেশন টুডে’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

‘এডুকেশন টুডে’র বর্ষপূর্তি এবং জাতীয় শিক্ষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সেমিনার হলে আলোচকবৃন্দ এবং উপস্থিত অতিথিদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাবেরি গায়েন এবং অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী। দেশের বিরূপ রাজনৈতিক সংকটের কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি বিশ্ব শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক মাহফুজা খানম এবং প্রবীণ রাজনীতিক ও ৬২’র শিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা হায়দার আকবর খান রনো। তবে ঢাকা শহরকেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পত্রিকাটির নিয়মিত পাঠক এবং ‘এডুকেশন টুডে’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এম শরীফ উল আলমসহ ‘এডুকেশন টুডে’ পরিবারের উপস্থিতিতে চমৎকার একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় তৃতীয় বর্ষে পদার্পণের কেক কেটে। বর্ষপূর্তি কেক কাটেন সম্মিলিতভাবে এম শরীফ উল আলম, অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. কাবেরি গায়েন এবং অধ্যাপক তালাত সুলতানা। সম্মানিত আলোচক এবং অতিথিবৃন্দকে কেক বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানের মূলপর্ব শুরু হয়।

প্রথমেই বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী। তিনি বলেন, এক ঐতিহাসিক দিনকে লালন করে ‘এডুকেশন টুডে’র জন্ম। ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবসকে স্মরণে রেখে ২০১১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ‘এডুকেশন টুডে’র যাত্রা শুরু। মাঝখানে মাত্র দুটি বছর। এর মাঝে ‘এডুকেশন টুডে’ অনেক কাজই করেছে। বর্ষপূর্তি সংখ্যায় অধ্যাপক মাহফুজা খানম তাঁর আলোচনায় ‘এডুকেশন টুডে’র কার্যক্রম নিয়ে যে আলোচনা করেছেন, তাতেই বোঝা যায় পত্রিকাটি তাদের সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। এজন্য ‘এডুকেশন টুডে’ পরিবারকে আমার অভিনন্দন। অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী আরও বলেন, ১৯৬২ সালে বাবলু-ওয়াজিউল্লাহর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে শরীফ শিক্ষা কমিশন বাতিল হয়। আজ তার ৫১ বছর পূর্তি হলো। ইতিহাস হারিয়ে যায় না। তার প্রমাণ ‘এডুকেশন টুডে’। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের ফলাফল আমাদের ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস। ’৬২’র সেই ঐতিহাসিক ১৭ সেপ্টেম্বর বাবলু-ওয়াজিউল্লাহর আত্মত্যাগকে স্মরণ করে রাখতে ‘এডুকেশন টুডে’র জন্ম। আমরা আশান্বিত হই; আজ ভাবতে ভালো লাগে, বলতে সাধ হয়, দেশমাতৃকার জন্য নিবেদিত প্রাণ মানুষদের আমরা ভুলিনি, কখনও ভুলব না। বাঙালি জাতি ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর বীরের জাতি। আমরা আমাদের বীর ভাইদের কখনও ভুলব না।

ড. কাবেরি গায়েন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্বাধীনতাপূর্ব সময়ের দুই পাকিস্তানের শিক্ষার বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরেন। ’৭১ পূর্বকালে শিক্ষা, চাকরি এবং আর্থনীতিক ক্ষেত্রে আমাদের কীভাবে শোষণ করা হয়েছে তার একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ১৯৬২ সালের শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শরীফ শিক্ষা কমিশনে সুপারিশ করা হয়েছিল, যে সন্তানের পিতার টাকা আছে তার জন্যেই উচ্চশিক্ষার দ্বার খোলা থাকবে। আজকে এই অর্ধশতাব্দী পরে আমরা কী দেখছি- দেশে ৭১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে যার বাবার টাকা আছে তার জন্য শিক্ষা আছে। তাহলে বিষয়টি কি নতুন করে ভাববার নয়? যে রক্তাক্ত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শরীফ শিক্ষা কমিশন বাতিল হলো, জাতীয় শিক্ষা দিবসের জন্ম হলো তারপর ঘুরে ফিরে সেই সুপারিশেই আমাদের ফিরে যাওয়া। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন এসেছে এ কথা সত্যি। তবে এখন পর্যন্ত তা গণমুখী শিক্ষাব্যবস্থার রূপ পায়নি। শিক্ষা যে সুযোগ নয়; সকলের মৌলিক অধিকার তার প্রতিষ্ঠা এখন খুব প্রয়োজন। আশা করি, ‘এডুকেশন টুডে’ সে অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালনে আরও আন্তরিক হবে।

সবশেষে সভাপতির বক্তব্যে ‘এডুকেশন টুডে’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এম শরীফ উল আলম বলেন, সকলের সহযোগিতায় আজকের এ আয়োজন, আজকের ‘এডুকেশন টুডে’। আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি; কারণ আমরা আপনাদের কাছে পেয়েছি, সাথে পেয়েছি। আমাদের সাধ অনেক, সাধ্য সীমিত। সীমিত সাধ্যের মধ্যে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। ‘এডুকেশন টুডে’ কোনো বাণিজ্যিক ধারার প্রকাশনা নয়; এ স্বেচ্ছাশ্রম। ‘এডুকেশন টুডে’ নিয়ে আজ আমরা যারা কাজ করছি প্রত্যেকেই এর বাইরে অন্য কাজ করছি। ‘এডুকেশন টুডে’ আমাদের স্বপ্ন; আমাদের ভাবনার সন্তান। আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আরও বাস্তবধর্মী এবং যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার স্বপ্ন দেখি; সে স্বপ্নকে বাস্তবায়নে আমরাও সাথি হতে চাই। সে স্বপ্ন নিয়েই আমরা কাজ করছি। আমাদের কাজে আপনাদের আগেও আমরা পাশে পেয়েছি; ভবিষ্যতেই পাশে পাব সে বিশ্বাস আমাদের রয়েছে। আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় একদিন নিশ্চয়ই আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছব। সকলের প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সভাপতির বক্তব্যের পূর্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত দর্শকদের প্রশ্নের জবাব দেন আলোচকবৃন্দ এবং ‘এডুকেশন টুডে’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। প্রশ্নোত্তর পর্বে সকলের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠান শেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি এম শরীফ উল আলম।

Share/Save/Bookmark

সুন্দর আগামী নির্মাণে সহায়তা করবে এডুকেশন টুডে

ইমেইল প্রিন্ট

‘এডুকেশন টুডে’ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার বিষয়ক মাসিক পত্রিকা। শিক্ষার্থীদেরকে জ্ঞাত করার জন্য আবশ্যক তথ্য ও তত্ত্বের সমাবেশ এখানে থাকছে, যাতে তারা ক্যারিয়ার গঠনে সর্বাত্মক সহায়তা লাভ করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি যদি তারা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সঠিক পথ নির্দেশ পায়, তাহলে তাদের ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় জীবনেরও সাফল্য নিশ্চিত হবে। কারণ অজস্র একক ব্যক্তির সাফল্য বস্তুত রাষ্ট্রেরই সাফল্য। আর ব্যক্তির একক কৃতিত্ব যদি সমষ্টির কৃতিত্ব হয়ে ওঠে, তবে সমাজ জীবনে আসে আমূল ইতিবাচক পরিবর্তন। এই পরিবর্তন পিয়াসা থেকে ‘এডুকেশন টুডে’র পথ চলা। আমাদের পথ চলায় সকলকে সারথি হওয়ার সাদর আমন্ত্রণ।

একথা সত্য যে, পৃথিবীর বহু দেশ একুশ শতকের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে প্রবেশ করার উপযোগী হয়ে ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে। সেক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের বর্তমান অবস্থা অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক। স্বাধীনতার চার দশক অতিক্রান্ত হওয়ার পর কেন এমন হবে? এ জিজ্ঞাসা বিদগ্ধজনদের। আমরাও এ জিজ্ঞাসার সাথে একাত্ম। তবে আমরা জিজ্ঞাসা করেই বসে থাকতে সম্মত নই। তাই আমরা পথ চলতে চাই সাহসী ও দৃপ্ত পায়ে। সে জন্য স্বপ্ন দেখছি এবং পথ নির্মাণে সচেষ্ট হয়েছি।

‘এডুকেশন টুডে’তে আমরা সকলকে প্রাণিত করার জন্য বহুবিচিত্র বিষয়বস্তুর সমাবেশ ঘটিয়েছি। আমরা প্রত্যাশা করছি ‘এডুকেশন টুডে’ পাঠকবৃন্দকে সুন্দর আগামী নির্মাণে সহায়তা করবে।

আশা করছি একসময় বাংলা ভাষাসহ ইংরেজি ভাষায়ও পত্রিকার সংস্করণ প্রকাশ করব। দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিচরণ করবে এডুকেশন টুডে। সে কারণে নামকরণ করা হয়েছে ‘এডুকেশন টুডে’।

 

Share/Save/Bookmark